দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরান যুদ্ধের দায় নিজের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ওপর চাপানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার টেনেসির মেমফিসে এক ‘মেমফিস সেফ টাস্ক ফোর্স’ গোলটেবিল বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘পিট, আমার মনে হয় আপনি প্রথম কথা বলেছিলেন এবং বলেছিলেন—চলেন এটা করি, কারণ তাদের হাতে কিছুতেই পারমাণবিক অস্ত্র আসতে দেওয়া যাবে না।’
বৈঠকে হেগসেথ ট্রাম্পের পাশেই উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প এ সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রশংসা করেন এবং বলেন, ইরানে সামরিক পদক্ষেপের অন্যতম প্রধান সমর্থক ছিলেন তিনি। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযান বর্তমানে চতুর্থ সপ্তাহে গড়িয়েছে।
হেগসেথ পেন্টাগনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্য তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, ড্রোন উৎপাদন এবং নৌবাহিনী ধ্বংস করা। একই সঙ্গে তিনি যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমেরও সমালোচনা করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার হেগসেথ সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র কবে ইরানে সামরিক অভিযান শেষ করবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করতে চায় না। তিনি বলেন, আমরা কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে চাই না এবং আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি, শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প নিজেই।
এদিকে ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই যুদ্ধে তার মতো উৎসাহী ছিলেন না। যদিও ভ্যান্স প্রকাশ্যে কোনো সমালোচনা করেননি।
এদিকে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব রুপার্ট মারডক ট্রাম্পকে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করার পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখেন। অন্যদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস তুলনামূলকভাবে সংশয়ী ছিলেন।
এদিকে, ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক প্রধান জো কেন্ট গত সপ্তাহে এই যুদ্ধের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন, যা ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম বড় ধরনের পদত্যাগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এছাড়া, ট্রাম্প জানান যে হেগসেথ একটি নির্দেশনায় স্বাক্ষর করেছেন, যার মাধ্যমে মেমফিস টাস্ক ফোর্সসহ ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ অরলিন্স এবং সীমান্ত নিরাপত্তা মিশনে নিয়োজিত ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সেনাদের মতোই সুবিধা দেওয়া হবে।
এ ঘোষণা দেওয়ার সময় উপস্থিত অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডিসহ অন্যান্যরা করতালি দিয়ে তা স্বাগত জানান।
সূত্র: দ্য হিল
/অ